সেলিম ভান্ডারী, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি :: রাজশাহীর বাঘা উপজেলাকে মাদক মুক্ত করে সূধী সমাজে পরিণত করার নিমিত্বে মিডিয়া সহ সর্ব মহলকে প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ হাশমী।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, বর্তমানে মরণনেশা ফেন্সিডিল, হেরোইন, গাজা ও মদ পানে আসক্তের সংখ্যা অন্যান্য মাদক আসক্তি জেলা উপজেলার চেয়ে কোন অংশে কম নেই। দিন গেলে বেড়েই চলেছে মাদক ব্যাবসী ও মাদক আসক্তির সংখ্যা। বর্তমানে এ উপজেলায় মাদকাসক্তের সংখ্যা হাজার হাজার। এর মধ্যে নিয়োমিত হিরোইন সেবনকরী ব্যাক্তির সংখ্যাও অনেক ।
ওসি আলী আহম্মেদ হাশমী বাঘা থানায় যোগদান করেছেন মাত্র সাত মাস আগে। এই থানাতে এসেই দেখতে পান মাদকের নানাবিধ চিত্র। বাঘা একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা। এই এলাকায় এক শ্রেণীর লোক আছে যারা চোরাচালান বানিজ্যের সাথে বহুদিন ধরে সম্পৃক্ত। আর কিছু মানুষ আছে যারা নেশা করে অভ্যাস্ত। এই দুই শ্রেনীর লোকদের সাথে কিছু উচ্চ মহলও জড়িত আছে বলে জানান। এদের কিছুতেই ভাল পথে ফেরানো সম্ভব হয়ে উঠেনি। তাই তিনি এই থানাতে যোগদান করার পর মাদকের সাথে জড়িত লোকদের চিহ্নিত করে বিভিন্ন সময়ে আইনি ব্যাবস্থা নিতে শুরু করেছেন। তিনি এই থানাতে যোগদানের পর এমন কোন মাস নেই যে, দুই-চার জনকে গ্রেফতার করেননি। ওসি আলী আহম্মেদ হাশমি আসার পর বাঘা থেকে যাদের গ্রেফতার করে বিভিন্ন মেয়দি সাজা প্রাপ্তরা হলেন, ...........................................................................................................................................................।
তার পরেও তারা সবার চোখে ফাঁকি দিয়ে রাতের আধারে ভারতীয় মরণ নেশা ফেন্সিডিল ও হেরোইন আমদানি করে যাচ্ছে। তবে তাদের কেউ চিহ্নিত করে আইনি জরুরী ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা চালাচ্ছেন বলে জানান। বর্তমানে প্রেক্ষাপটে এর প্রবনতা অনেকাংশেই কমেছে বলে তিনি দাবি করেন।
মাদকাসক্তের অত্যাচারে অসংখ্য সুখী সংসার ভেঙ্গে দুঃখের কিনারে। আসক্ত সন্তানের দাবি মেটাতে না পেরে পিতা-মাতাকে নানাবিধ অশান্তির মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। একাধিকবার জেল-হাজতে পাঠিয়েও এদের সংশোধন করা যায়নি বলে জানা যায়। এছাড়াও নেশার টাকা জোগাড় করতে এমন দু’একজন ব্যাক্তি রয়েছে যারা টিউবয়েরের হ্যান্ডেল থেকে শুরু করে গ্রামের মানুষের বাড়িতে যা পাচ্ছে তাই চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এমন অভিযোগও দুই-চারটা পাওয়া যাদের অত্যাচারে অনেকের রাতের ঘুম হারাম হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
তিনি আরো জানান, উপজেলার সীমান্ত এলাকা আলাইপুর, হরিরাম পুর, কলিগ্রাম, পাকুড়িয়া, চক ছাতারী, নারায়নপুর ও মিলিক বাঘা গ্রামে হেরোইন ও ফেন্সিডিল আসক্ত ও ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, বর্তমানে মরণনেশা ফেন্সিডিল, হেরোইন, গাজা ও মদ পানে আসক্তের সংখ্যা অন্যান্য মাদক আসক্তি জেলা উপজেলার চেয়ে কোন অংশে কম নেই। দিন গেলে বেড়েই চলেছে মাদক ব্যাবসী ও মাদক আসক্তির সংখ্যা। বর্তমানে এ উপজেলায় মাদকাসক্তের সংখ্যা হাজার হাজার। এর মধ্যে নিয়োমিত হিরোইন সেবনকরী ব্যাক্তির সংখ্যাও অনেক ।
ওসি আলী আহম্মেদ হাশমী বাঘা থানায় যোগদান করেছেন মাত্র সাত মাস আগে। এই থানাতে এসেই দেখতে পান মাদকের নানাবিধ চিত্র। বাঘা একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা। এই এলাকায় এক শ্রেণীর লোক আছে যারা চোরাচালান বানিজ্যের সাথে বহুদিন ধরে সম্পৃক্ত। আর কিছু মানুষ আছে যারা নেশা করে অভ্যাস্ত। এই দুই শ্রেনীর লোকদের সাথে কিছু উচ্চ মহলও জড়িত আছে বলে জানান। এদের কিছুতেই ভাল পথে ফেরানো সম্ভব হয়ে উঠেনি। তাই তিনি এই থানাতে যোগদান করার পর মাদকের সাথে জড়িত লোকদের চিহ্নিত করে বিভিন্ন সময়ে আইনি ব্যাবস্থা নিতে শুরু করেছেন। তিনি এই থানাতে যোগদানের পর এমন কোন মাস নেই যে, দুই-চার জনকে গ্রেফতার করেননি। ওসি আলী আহম্মেদ হাশমি আসার পর বাঘা থেকে যাদের গ্রেফতার করে বিভিন্ন মেয়দি সাজা প্রাপ্তরা হলেন, ...........................................................................................................................................................।
তার পরেও তারা সবার চোখে ফাঁকি দিয়ে রাতের আধারে ভারতীয় মরণ নেশা ফেন্সিডিল ও হেরোইন আমদানি করে যাচ্ছে। তবে তাদের কেউ চিহ্নিত করে আইনি জরুরী ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা চালাচ্ছেন বলে জানান। বর্তমানে প্রেক্ষাপটে এর প্রবনতা অনেকাংশেই কমেছে বলে তিনি দাবি করেন।
মাদকাসক্তের অত্যাচারে অসংখ্য সুখী সংসার ভেঙ্গে দুঃখের কিনারে। আসক্ত সন্তানের দাবি মেটাতে না পেরে পিতা-মাতাকে নানাবিধ অশান্তির মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। একাধিকবার জেল-হাজতে পাঠিয়েও এদের সংশোধন করা যায়নি বলে জানা যায়। এছাড়াও নেশার টাকা জোগাড় করতে এমন দু’একজন ব্যাক্তি রয়েছে যারা টিউবয়েরের হ্যান্ডেল থেকে শুরু করে গ্রামের মানুষের বাড়িতে যা পাচ্ছে তাই চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এমন অভিযোগও দুই-চারটা পাওয়া যাদের অত্যাচারে অনেকের রাতের ঘুম হারাম হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
তিনি আরো জানান, উপজেলার সীমান্ত এলাকা আলাইপুর, হরিরাম পুর, কলিগ্রাম, পাকুড়িয়া, চক ছাতারী, নারায়নপুর ও মিলিক বাঘা গ্রামে হেরোইন ও ফেন্সিডিল আসক্ত ও ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন