শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১২

বাঘা থানাকে মাদক মুক্ত করে ছাড়বেন ওসি আলী আহম্মেদ হাশমী

সেলিম ভান্ডারী, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি  :: রাজশাহীর বাঘা উপজেলাকে মাদক মুক্ত করে সূধী সমাজে পরিণত করার নিমিত্বে মিডিয়া সহ সর্ব মহলকে প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ হাশমী।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, বর্তমানে মরণনেশা ফেন্সিডিল, হেরোইন, গাজা ও মদ পানে আসক্তের সংখ্যা অন্যান্য মাদক আসক্তি জেলা উপজেলার চেয়ে কোন অংশে কম নেই। দিন গেলে বেড়েই চলেছে মাদক ব্যাবসী ও মাদক আসক্তির সংখ্যা।  বর্তমানে এ উপজেলায় মাদকাসক্তের সংখ্যা হাজার হাজার। এর মধ্যে নিয়োমিত হিরোইন সেবনকরী ব্যাক্তির সংখ্যাও অনেক ।
ওসি আলী আহম্মেদ হাশমী বাঘা থানায় যোগদান করেছেন মাত্র সাত মাস আগে। এই থানাতে এসেই দেখতে পান মাদকের নানাবিধ চিত্র। বাঘা একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা। এই এলাকায় এক শ্রেণীর লোক আছে যারা চোরাচালান বানিজ্যের সাথে বহুদিন ধরে সম্পৃক্ত। আর কিছু মানুষ আছে যারা নেশা করে অভ্যাস্ত। এই দুই শ্রেনীর লোকদের সাথে কিছু উচ্চ মহলও জড়িত আছে বলে জানান। এদের কিছুতেই ভাল পথে ফেরানো সম্ভব হয়ে উঠেনি। তাই তিনি এই থানাতে যোগদান করার পর মাদকের সাথে জড়িত লোকদের চিহ্নিত করে বিভিন্ন সময়ে আইনি ব্যাবস্থা নিতে শুরু করেছেন। তিনি এই থানাতে যোগদানের পর এমন কোন মাস নেই যে, দুই-চার জনকে গ্রেফতার করেননি। ওসি আলী আহম্মেদ হাশমি আসার পর বাঘা থেকে যাদের গ্রেফতার করে বিভিন্ন মেয়দি সাজা প্রাপ্তরা হলেন, ...........................................................................................................................................................।
তার পরেও তারা সবার চোখে ফাঁকি দিয়ে রাতের আধারে ভারতীয় মরণ নেশা ফেন্সিডিল ও হেরোইন আমদানি করে যাচ্ছে। তবে তাদের কেউ চিহ্নিত করে আইনি জরুরী ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা চালাচ্ছেন বলে জানান। বর্তমানে প্রেক্ষাপটে এর প্রবনতা অনেকাংশেই কমেছে বলে তিনি দাবি করেন।
মাদকাসক্তের অত্যাচারে অসংখ্য সুখী সংসার ভেঙ্গে দুঃখের কিনারে। আসক্ত সন্তানের দাবি মেটাতে না পেরে পিতা-মাতাকে নানাবিধ অশান্তির মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। একাধিকবার জেল-হাজতে  পাঠিয়েও এদের সংশোধন করা যায়নি বলে জানা যায়। এছাড়াও নেশার টাকা জোগাড় করতে এমন দু’একজন ব্যাক্তি রয়েছে যারা টিউবয়েরের হ্যান্ডেল থেকে শুরু করে গ্রামের মানুষের বাড়িতে যা পাচ্ছে তাই চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এমন অভিযোগও দুই-চারটা পাওয়া যাদের অত্যাচারে অনেকের রাতের ঘুম হারাম হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
তিনি আরো জানান, উপজেলার সীমান্ত এলাকা আলাইপুর, হরিরাম পুর, কলিগ্রাম, পাকুড়িয়া, চক ছাতারী, নারায়নপুর ও মিলিক বাঘা গ্রামে হেরোইন ও ফেন্সিডিল আসক্ত ও ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি।

Read more »

শুক্রবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

দুর্বা ঘাস চুল পড়া বন্ধ করে। এর বহু গুন, চলুন একটু দেখে নেই কি কি?

ছোট বেলায় খেলাধুলা করছি। নিজের অথবা বন্ধুদের কোথাও কেটে গেলে দেখেছি বয়সে যারা বড় তারা দৌড়ে গিয়ে দুর্বা  ঘাস চিবিয়ে কেটে যাওয়া স্থানে লাগিয়ে দিলেই রক্তপাত বন্ধ হয়ে কয়েকদিনের মধ্যেই কেটে যাওয়া স্থান জোড়া লেগে যেত। সেই দুর্বা  ঘাস এখনও বাংলার আনাচে কানাচে সর্বত্রই পাওয়া যায়।

এটি একটি ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণত দুর্বা ঘাস দীর্ঘকাল প্রতিকুল পরিবেশে বেঁচে থাকার ক্ষমতা রাখে। মাঠে ময়দানে ঘরবাড়ীর আনাচে কানাচে আপনা আপনি এ ঘাস জন্মায়। এর পাতা সরু, লম্বা। মসৃণ ও সবুজ বর্ণের হয়। মাতির নিচে এর গুচ্ছ মূল থাকে। দুর্বা ঘাস আলাদা ভাবে চাষের কোন প্রয়োজন হয় না।
দুর্বা ঘাসের পরিচিতি-
প্রচলিত নাম- দুর্বা ঘাস
ইউনানী নাম- দুর্বা / দুব
আয়ুর্বেদিক নাম-দুব
ইংরেজী নাম- Bermuda grass, Dove grass.
বৈজ্ঞানিক নাম- Cynodon dactylon Pers.
পরিবার- Poaceae (Gramineae)
দুর্বা ঘাসে যে সমস্ত রাসায়নিক উপাদান আছে- টারপিনয়েড যৌগ যেমন অরুনডেইন, লুপিনোন ইত্যাদি বিদ্যমান। এছাড়া দু্রবা ঘাসে প্রোটিন কার্বোহাইড্রেট ও বেশ কিছু অর্গানিক এসিড পাওয়া যায়।
দুর্বা ঘাস সাধারণত রক্তক্ষরন, কেটে যাওয়া বা আঘাত জনিত রক্তপাত, অতিরিক্ত ঋতুস্রাব, বমন, চুল পড়া, চর্ম রোগ, দন্তরোগ ও আমাশয়ে কার্যকরী।
রোগ অনুযায়ী এর ব্যবহার পদ্ধতি-
  • কেটে যাওয়া বা আঘাত জনিত রক্তক্ষরনে দুর্বা ঘাস সামান্য পানি মিশিয়ে পিষে কাটা স্থানে বেধে দিলে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়। কাটা স্থান দ্রুত জোড়া লাগে এবং শুকিয়ে যায়। তবে এ ক্ষেত্রে দুর্বার শিকড় ব্যবহার করলে বেশী উপকার পাওয়া যায়।
  • চুল পড়া রোগের জন্য  একটি পাত্রে এক লিটার নারিকেল তেল মৃদু তাপে জ্বাল করে ফেনা দুর করে নিতে হবে। তারপর দুর্বার ঘাসের টাটকা রস ২০০ মিলি সম্পূর্ণ তেলে মিশিয়ে পুনরায় জ্বাল দিয়ে চুলা হতে নামিয়ে ছেঁকে টা সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতিদিন গোসলের ১ ঘন্টা আগে ঐ তেল চুলে মাখতে হবে। নিয়মিত২-৩ মাস প্রয়োগ করলে উপকার পাওয়া যাবে।
  • বমি ভাব বন্ধের জন্য দুর্বা ঘাসের রস ২-৩ চামচ ১ চা চামচ চিনি সহকারে ১ ঘন্টা পর পর খেতে হবে, বমি ভাব কেটে গেলে খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে।
  • অধিক ঋতুস্রাব রোগের জন্য দুর্বা ঘাসের রস ২-৩ চামচ প্রতিদিন মধু সহ ৩-৪ বার খেতে হবে। এভাবে ১০-১৫ দিন খেলে উপকার পাওয়া যাবে।
  • আমাশয় রোগের জন্য দুর্বা ঘাসের রস ২-৩ চামচ ডালিম পাতা কিংবা ডালিমের ছালের রস ৪-৫ চামচ মিশিয়ে প্রতিদিন ৩-৪ বার খেতে হবে। এভাবে ১০-১৫ দিন খেলে আমাশয় ভাল হয়ে যাবে।
তো বন্ধুরা দেখলেন তো আমাদের আনাচে কানাচে জন্ম নেয়া দুর্বা ঘাসের কত ঔষধি গুণাবলী। প্রয়োজনে এর ব্যবহার করতে পারেন। আজ এই পর্যন্ত। অন্য কোন দিন বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন কোন উদ্ভিদ নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব তার বিভিন্ন গুনাগুন নিয়ে, ততদিন আপনারা সকলে ভাল থাকুন ও সুস্থ্য থাকুন। সকলকে ধন্যবাদ। ভাল লাগলে মন্তব্য করতে কার্পণ্য করবেন না।
-মোঃ জাকির হোসেন

Read more »

একটি বাড়ীতে যদি নিম গাছ থাকে তবে ঐ বাড়ী থেকে রোগ বালাই দূরে থাকে।

এর আগে অর্জুন গাছ নিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছিলাম। মাহে রমজান চলছে, বাংলাদেশের অধিকাংশ রোজাদার তাদের দাঁত মাজার জন্য যে গাছের ডালটি ব্যবহার করে তা হল নিম গাছের ডাল। আজ আমি বহুল আলোচিত নিম গাছ নিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি এর সঙ্গে পরিচয় করে দেবার জন্য।

তাহলে জেনে নেই এর পরিচিতিঃ-
প্রচলিত নাম- নিম
ইউনানী নাম- নীম
আয়ুর্বেদিক নাম- নিম্ব
ইংরেজী নাম- Neem tree
বৈজ্ঞানিক নাম- Azadirachta indica A. Juss
পরিবার- Meliaceae
কথায় আছে একটি বাড়ীতে যদি নিম গাছ থাকে তবে ঐ বাড়ী থেকে রোগ বালাই দূরে থাকে। এমনকি পোকা- মাকড় ও সে বাড়ীতে কম দেখা যায়। এখনও বাংলাদেশের বড় বড় গৃহস্থদের বাড়ীতে ধান থেকে চাউল করার পর চাউলের ডোলে নিম পাতা দিয়ে রাখা হয়, যেন চাউলে পোকা আক্রমন না করে, এ পদ্ধতিটি পরীক্ষিত। এর আরও বহু গুনাগুন লোকে মুখে শোনা যায় প্রত্যহ নিমের পাতার রস এক কাপ করে খেলে চর্ম রোগ, কৃমি নিরসন ও জ্বর থেকে উপশম পাওয়া যায়।
নিম গাছ বাংলাদেশের প্রায় সবখানে পাওয়া যায়, বৃহদাকারের বৃক্ষ। মার্চ- এপ্রিল মাসের দিকে ফুল হয়। ফুল শ্বেতবর্ণ এবং ফল কাঁচা অবস্থায় সবুজ, পাকলে পীতবর্ণ বা হলুদ বর্ণ ধারণ করে।
নিমে যে সমস্ত রাসায়নিক উপাদান পাওয়া যায়- পাতা, ছাল, ফুল, ফল ও বিচির তেলে প্রচুর সংখ্যক তিক্ত উপাদান যেমন, নিম্বিন, নিম্বিডিন, নিম্বিনিন ইত্যাদি টাপ্রিনিয়েড, গ্লাইকোসাইড, অ্যালকালয়েড ও ট্যানিন বিদ্যমান।
নিমের যে সমস্ত অংশ ব্যবহার করা হয়- ফুল, পাতা, ছাল, ফল বা বীজ ও তেল।
নিমের গুনাগুন- রক্ত পরিস্কারক, চর্মরোগ নাশক, ব্রণ, কৃমি, কুষ্ঠ ও ক্ষত নিবারক, শরীরের জ্বালা পোড়া, এলারজি এবং মুখের দুর্গন্ধ নাশক, দাঁতের মাড়ি সবল কারক।
এবার আসুন বিভিন্ন রোগে এর ব্যবহার বিধিটি জানি আমরা-
  • রক্ত পরিস্কারক ও চর্মরোগে পাতা(কাচা) ১০গ্রাম ৩ কাপ পানিতে জ্বাল করে ১ কাপ অবশিষ্ঠ থাকতে নামিয়ে ছেঁকে নিয়ে নির্যাস টুকু চিনি সহ প্রতিদিন ২-৩ বার খেলে উপকার পাওয়া যাবে।
  • কৃমি নিরসনে ছাল চূর্ণ ৩-৪ গ্রাম সামান্য সৈন্দব লবন সহ সকালে খালি পেটে ১ সপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যাবে।
  • খোঁস পাঁচড়া ও পুরনো ক্ষতে পাতা (কাঁচা ) প্রয়োজনমত কাঁচা হলুদ মিশিয়ে ভালভাবে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিতে হবে ৭-১০ দিন।
আশাকরি আপনাদের বাড়ীতে একটি করে নিম গাছ লাগাবেন এবং এর সম্পর্কে আরও জানার চেষ্টা করবেন। জানেন তো নিম গাছের কাঠ দিয়ে আসবাবপত্র তৈরি করলে তাতে ঘুন ধরেনা। আজ এই পর্যন্ত। সবাই ভাল ও সুস্থ্য থাকুন।
ধন্যবাদ সহ-
মোঃ জাকির হোসেন

Read more »

মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যা, চিকিৎসা ও পরামর্শ

সাধারণত পারিবারিক (জেনেটিককারণে হয়এছাড়া ইমিউনোলজিকাল বা কোনো অষুধের (ক্যান্সারকেমোথেরাপিপার্শ-প্রতিক্রিয়া হিসাবেও  রোগ হতে পারে। তরুণ বয়সে হয়ে থাকলে সাধারণত এর উৎস মূলতপারিবারিক এবং এক্ষেত্রে চুল পরা শুরু হয় মাথার সামনের দিক থেকে এবং পরে মাথার পেছনের অংশেও হয়।যদিও পুরুষের ক্ষেত্রেই এর প্রাদুরভাব বেশি তবে মহিলারাও বৃদ্ধ বয়সে পারিবারিক কারনে টাক সমস্যায় ভূগতেপারেন। এর সাথে যদি মহিলাদের ব্রণ অথবা মাসিক এর সমস্যা থেকে থাকে তবে গাইনি (ওভারির সিস্ট -Ovarian Cyst) অথবা এন্ডক্রাইন (Endocrine) বিশেষজ্ঞ দেখাতে হবে।

Read more »

ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যা, চিকিৎসা ও পরামর্শ

সাধারণত পারিবারিক (জেনেটিককারণে হয়এছাড়া ইমিউনোলজিকাল বা কোনো অষুধের (ক্যান্সারকেমোথেরাপিপার্শ-প্রতিক্রিয়া হিসাবেও  রোগ হতে পারে। তরুণ বয়সে হয়ে থাকলে সাধারণত এর উৎস মূলতপারিবারিক এবং এক্ষেত্রে চুল পরা শুরু হয় মাথার সামনের দিক থেকে এবং পরে মাথার পেছনের অংশেও হয়।যদিও পুরুষের ক্ষেত্রেই এর প্রাদুরভাব বেশি তবে মহিলারাও বৃদ্ধ বয়সে পারিবারিক কারনে টাক সমস্যায় ভূগতেপারেন। এর সাথে যদি মহিলাদের ব্রণ অথবা মাসিক এর সমস্যা থেকে থাকে তবে গাইনি (ওভারির সিস্ট -Ovarian Cyst) অথবা এন্ডক্রাইন (Endocrine) বিশেষজ্ঞ দেখাতে হবে।

Read more »

ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যা, চিকিৎসা ও পরামর্শ

সাধারণত পারিবারিক (জেনেটিককারণে হয়এছাড়া ইমিউনোলজিকাল বা কোনো অষুধের (ক্যান্সারকেমোথেরাপিপার্শ-প্রতিক্রিয়া হিসাবেও  রোগ হতে পারে। তরুণ বয়সে হয়ে থাকলে সাধারণত এর উৎস মূলতপারিবারিক এবং এক্ষেত্রে চুল পরা শুরু হয় মাথার সামনের দিক থেকে এবং পরে মাথার পেছনের অংশেও হয়।যদিও পুরুষের ক্ষেত্রেই এর প্রাদুরভাব বেশি তবে মহিলারাও বৃদ্ধ বয়সে পারিবারিক কারনে টাক সমস্যায় ভূগতেপারেন। এর সাথে যদি মহিলাদের ব্রণ অথবা মাসিক এর সমস্যা থেকে থাকে তবে গাইনি (ওভারির সিস্ট -Ovarian Cyst) অথবা এন্ডক্রাইন (Endocrine) বিশেষজ্ঞ দেখাতে হবে।

Read more »

ত্বক ও চুলের বিভিন্ন সমস্যা, চিকিৎসা ও পরামর্শ

সাধারণত পারিবারিক (জেনেটিককারণে হয়এছাড়া ইমিউনোলজিকাল বা কোনো অষুধের (ক্যান্সারকেমোথেরাপিপার্শ-প্রতিক্রিয়া হিসাবেও  রোগ হতে পারে। তরুণ বয়সে হয়ে থাকলে সাধারণত এর উৎস মূলতপারিবারিক এবং এক্ষেত্রে চুল পরা শুরু হয় মাথার সামনের দিক থেকে এবং পরে মাথার পেছনের অংশেও হয়।যদিও পুরুষের ক্ষেত্রেই এর প্রাদুরভাব বেশি তবে মহিলারাও বৃদ্ধ বয়সে পারিবারিক কারনে টাক সমস্যায় ভূগতেপারেন। এর সাথে যদি মহিলাদের ব্রণ অথবা মাসিক এর সমস্যা থেকে থাকে তবে গাইনি (ওভারির সিস্ট -Ovarian Cyst) অথবা এন্ডক্রাইন (Endocrine) বিশেষজ্ঞ দেখাতে হবে।

Read more »