মস্তিস্কের এই রোগটি সম্পর্কে সর্ব প্রথম ধারনা দেন জেমস পারকিনসন, আর তার নাম অনুসারেই এই নাম।সারাক্ষন হাত পা কাপা, শরীরের মাংসপেশী অস্বাভাবিক শক্ত হয়ে থাকা, স্পর্শকাতরতা কমে যাওয়া এই উপসর্গগুলো সম্পর্কে জেমস পারকিন্সনই সর্বপ্রথম ধারনা দেন।
বিভিন্ন অষুধ বা বিষাক্ত পদার্থের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, মস্তিস্কের প্রদাহ, ক্রমাগত মাথায় আঘাত পাওয়া (যেটা Boxerদের হয়ে থাকে), নিউরোসিফিলিস, উইলসন ডিজিজ, হানটিংটন ডিজিজ ইত্যাদি রোগের কারনে পারকিনসনডিজিজ হতে পারে।
এ রোগ সাধারনত ৫০ বছরের বেশী বয়সের লোকদের হয়ে থাকে। ভাবলেশহীন মুখ-অবয়ব, মুখদিয়ে লালাপরা, হাটা বা চলাচল শুরু করতে দেরী হওয়া, ছোটো পদক্ষেপে দ্রুত লয়ে হাটা, হাটার সময় হাত না নড়া,হাটতে হাটতে ঘুরতে গেলে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা, সবসময় হাত-পা কাপা, মাংসপেশী শক্ত হয়ে যাওয়, সুক্ষকাজ করার ক্ষমতা হারানো ইত্যাদি নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত থাকে পারকিনসন রোগীর জীবন।
সিটিস্ক্যান সহ রক্তের আরো কিছু পরীক্ষা করা হয় ঠিক কি কারনে রোগটি হয়েছ তা নির্ণয় করার জন্য।নিউরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে এই রোগের চিকিৎসা করাতে হয়। যদিও অল্প কিছু অসুধ এই রোগে ব্যবহার করাহয়; ফিজিওথেরাপি, স্পিচ থেরাপি ইত্যাদির মাধ্যমে পূনর্বাসন করাই হলো চিকিতৎসার মূল লক্ষ্য।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন