বিভিন্ন রোগোর লক্ষন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিভিন্ন রোগোর লক্ষন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু) এর কারন, লক্ষণ ও চিকিৎসা


ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস  অথবা বি মানব দেহে এই রোগ করে থাকে।
লক্ষনঃ কাপুনি দিয়ে জরসমস্ত শরীর  হাতে পায়ে ব্যথাতীব্র মাথা ব্যথাগলা ব্যথা এবং শুকনো কাশি এইরোগের লক্ষন হিসাবে পরিচিত।
রীক্ষাঃ তেমন কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হয়না তবে সি,এফ,টি পরীক্ষাটি করে অনেক সময় রোগ নির্ণয় করাহয়।
চিকিৎসাঃ বিশ্রাম নেয়া সেই সাথে জর উপশমের জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষুধ খেলে এই রোগ এমনিতেইভালো হয়ে যায়তবে সাথে অন্য ইনফেকশন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক সেবনকরতে হয়।
জটিলতাঃ  রোগের জটিলতা হিসাবে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশননিউমনিয়া সহ অন্যান্য রোগ দেখা দিতেপারে।

Read more »

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

মস্তিষ্কের রোগ বালাই


স্ট্রোক (Stroke)

স্ট্রোক (Stroke) রোগটির নাম শুনলে যদিও হার্ট এটাক এর কথা মনে আসেস্ট্রোক আসলে মস্তিস্কের রোগ। মস্তিস্কের কোনো স্থানের রক্ত নালী বন্ধ হয়ে গেলে বা ব্লক হলে ঐ স্থানের রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়ফলে মস্তিস্কের ঐ বিশেষ এলাকা কাজ করতে পারেনা। এটিই স্ট্রোক রোগ। মস্তিস্কের ঐ বিশেষ এলাকাটি শরীরের যে যে অংশকে নিয়ন্ত্রন করতো স্ট্রোক হলে সে সকল অংশের বিভিন্ন অংগ বিকল হয়ে পরে। মস্তিস্কের এক দিক নস্ট হলে শরীরের উল্টো দিক বিকল হয়ে পরে। অর্থাৎ মস্তিস্কের বাম দিকে ক্ষতি হলে শরীরের ডান দিক অচল/অবশ হয়ে যায়।
স্ট্রোক হবার পর এরকম শরীরের এক দিক অচল হবার নাম হেমিপ্লেজিয়া (hemiplegia) আর অবশ হলে বলে হেমিপেরেসিস (hemiparesis)। স্ট্রোক হলেই যে শরীরের কোনো পাশ চিরতরে অচল হয়ে যাবে তা কিন্ত নয়। কিছু ধরনের স্ট্রোক হলে সাময়িক কিছু অসুবিধার পরে মানুষ আবার পুরোপুরি সুস্থ্য হয়ে যায়।
হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্ত চাপধুমপান করাঅনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসরক্তে অতিরিক্ত চর্বিঅতিরিক্ত এলকোহল সেবন ইত্যাদি স্ট্রোকের ঝুকি বহুগুনে বাড়িয়ে থাকে। আগেই বলা হয়েছে যে স্ট্রোক হয় মস্তিস্কের রক্ত নালী বন্ধ হবার কারণে তাই বোঝাই যায় যে যে কারণে রক্তনালী বন্ধ হয় সেই সেই কারণে স্ট্রোক হয়যেমন ধমণীতে চর্বি বা ক্যালসিয়াম জমাটিউমার হওয়াধমণীর প্রদাহ জনিত রোগ ইত্যাদি। এছাড়াও হার্ট বা অন্য ধমণী থেকে জমাট রক্ত ছুটে গিয়ে বা মাথায় আঘাত পাবার কারনেও স্ট্রোক হতে পারে।
স্ট্রোক হলে মাথা ব্যাথাবমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া তো হয়ই সেই সাথে কোনো একপাশের হাত-পা অবশ পা অচল হয়ে যাওয়াবোধহীন হয়ে যাওয়াবাকরুদ্ধ হওয়াকথা জড়িয়ে আসাজ্ঞান হারানো ইত্যাদি উপসর্গ গুলোও দেখা দেয়। বড় ধরনের স্ট্রোক হলে চার হাত-পা ই অবশ বা অচল হয়ে যেতে পারে।
স্ট্রোক এর রোগীকে মস্তিস্কের সিটি স্ক্যান (CT scan) পরীক্ষাটি করতেই হয়এটি দ্বারা ঠিক কোথায় ক্ষতি হয়েছে বোঝা যায়মস্তিস্কের এঞ্জিওগ্রাম (Angiogram) করেও এটা বোঝা লাগতে পারে। অনেক সময় কারন বের করতে ইকোকার্ডিওগ্রাম (Echocardiogram) ও করা লাগেসেই সাথে যেসকল রোগ স্ট্রোক এর ঝুকি বাড়ায় রক্তসহ বিভিন্ন পরীক্ষা করে সে সকল রোগের উপস্থিতি ও অবস্থাও জেনে নিতে হয়।
স্ট্রোক রোগীর চিকিৎসা অবশ্যই একজন নিউরোলজিস্ট (Neurologist) বা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে করানো উচিত। এই রোগের সুনির্দিস্ট এমন কোনো চিকিৎসা নেই যাতে রোগী সাথে সাথে চিরতরে ভালো হয়ে যাবে। ধৈর্য্য ধরে রোগীর সেবা করতে হবেসঠিক পুষ্টি ও তরল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবেঝুকি আছে এমন রোগ গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এর পর সবচেয়ে বেশী যেটা প্রয়োজন তা হলো ফিজিওথেরাপি (Physiotherapy) । তবে স্ট্রোক এর অবস্থা বুঝে এর সাথে আরো অন্য চিকিৎসাও যোগ করতে হতে পারে যা অবশ্যই একজন নিউরোলজিস্ট বিবেচনা করবেন।
 

Read more »

বিভিন্ন ধরনের জ্বর। কারন, লক্ষন, চিকিৎসা, প্রতিকার।


জীবানুঃ ভ্যারিসেলা জোস্টার নামক ভাইরাস।
বিবরণঃ খুব ছোয়াচে একটি রোগমূলত শিশুরাই এর আক্রমনের শিকার হয় তবে বয়স্করাও এর হাত থেকেনিরাপদ নয়।
লক্ষনঃ সাধারণত আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির সংষ্পর্শে এলে - সপ্তাহ পরে এই রোগের লক্ষন দেখা দেয়। প্রথমদিকে হঠাৎ করেই জ্বর আসেপিঠের পিছনের দিকে ব্যথা হয় এবং গা ম্যাজ ম্যাজ করে। জর আসার  অথবা দিন পর প্রথমে শরীরের উপরের অংশে এবং পরে মুখ  হাতে পায়ে ফুস্কুরির মতো গোটা উঠে।  দিনেরমধ্যেই এটা পেকে যায় বা এতে পুঁজ জমে। অল্প কিছু দিনেই এটা শুকিয়ে চল্টা পড়ে।
জটিলতাঃ অনেক সময় এর জটিলতা হিসাবে নিউমোনিয়াএনকেফেলাইটিসগ্লুমেরুলোনেফ্রাইটিস সহইত্যাদি রোগ হতে পারে।
চিকিৎসাঃ শিশুদের লক্ষন উপশম ব্যতিত তেমন কোন চিকিৎসার প্রয়জন নেই। তবে ফুস্কুরিতে ইনফেকশনহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়টিক খেতে হতে পারে। যেসব রোগীর রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কমঅথবা যাদের বয়স বেশী কিংবা রোগের তীব্রতা বেশী তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিভাইরাল(এসাইক্লোভিরখেতে হতে পারে।

Read more »